
রাস্তা, কালভার্ট ও কর্মসংস্থান—উন্নয়ন বলতে এসবই মনে করেন ৭৭% ভোটার: সিপিডির জরিপ
ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।

ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।

ভোটের মাঠে প্রচারের সঙ্গে অপপ্রচারও বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা।

ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন শ্রদ্ধার ভাই সিদ্ধান্ত কাপুর। সে সময় বাড়ির বাইরে রাজনৈতিক দলের কর্মীরা স্লোগান ও বিক্ষোভ করায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা।

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।

২০২৬ সালে এসেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনীর জন্য জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করা হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যই এই গণভোটের ভিত্তি।

বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণায় স্বাস্থ্য খাতের প্রতিশ্রুতি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে।

কৌতূহলবশত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন বিএনপি বা জামায়াত) ইশতেহার বা ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখলাম শিক্ষা নিয়ে তাদের কী পরিকল্পনা। হতাশাজনকভাবে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বা যুগোপযোগী কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ল না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের বক্তব্য খণ্ডিত করে ধর্মীয় আঙ্গিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের ঘটনা ঘটছে।

‘নারীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের মন্তব্য কলঙ্কজনক’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন মাত্র একজন।