
এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক
এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনুমতি পেয়েছেন ৮১টি দেশি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন। এর ১৯ শতাংশই পাশার।

এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনুমতি পেয়েছেন ৮১টি দেশি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন। এর ১৯ শতাংশই পাশার।

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশাল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা আর পেছনের ইতিহাস নিয়ে কামড়াকামড়ি করব না। কে তুলসীপাতায় ধোয়া, কে দুধে ধোয়া, টান দিলে সকলের গা থেকেই দুর্গন্ধ বের হবে।’

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক টি এম মাহবুবুর রহমান, ‘আওয়ামী লীগের ভাইদের জন্য বলব, যাঁরা ভয়ভীতির মধ্যে বাইরে আছেন; আমাদের ভোটটা দিলে সম্পর্কের উন্নয়ন হবে, আর কোনো ঝামেলা হবে না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির শরিক দলের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ভোট আপনার অধিকার, সেই অধিকার প্রয়োগ করুন। ভোট দেওয়ার পর গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে বাড়িতে ফিরবেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে?’

ফেনীতে মতবিনিময় সভায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জন্য ভোট চাইলেন আবদুল আউয়াল মিন্টুর

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম আনুর নির্বাচনী পথসভায় যুবদলের এক নেতার দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাইয়ূম সুস্থ রাজনীতির বার্তা দিয়ে স্থানীয় লোকজনের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন। তাঁকে ভোট দিলে তিনি ‘অসুস্থ’ দেশটাকে ‘সুস্থ’ করে তুলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘৫৪ বছরের অপশাসন দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এ থেকে বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, মুক্তি চায়। পুরাতন বন্দোবস্ত আর দেখতে চায় না।