
সিলেটের ছয়টি আসনের পাঁচ বিএনপির, একটি খেলাফত মজলিসের
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) একমাত্র প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন। চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে নির্বাচন করেন মো. জুবাইরুল হাসান আরিফ। তিনি আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পাননি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুই আসনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

আজ সকালে নির্বাচন ভবনে ভোটের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন ইসি সদস্য সানাউল্লাহ।

আল–জাজিরা খবরে বলেছে, ‘জামায়াত ফলাফল প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’

হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এসব আসনের বেসরকারি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।

ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে বেসরকারি ফলে ৯টিতে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। আরও তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতেছেন দুটি সংসদীয় আসনে। বাকি দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীর ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে।

ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে ১২ ক্যাটাগরির পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, পোলিং এজেন্টের সংখ্যার মাধ্যমে প্রার্থীদের সাংগঠনিক শক্তি ও সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।