
অপহৃত হিমে
বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!

তবু বেঁচে আছে জীবন কারণ, এখনো না–বলা রয়ে গেছে অনেক কিছু।

প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...

যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত

ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।

কালপুরুষ রোহিণী শ্রবিষ্ঠা রেবতী আমার ঘরে ঢুকে পড়ে, মনোযোগী শ্রোতার ন্যায় বসে থাকে, মাঝেমধ্যে গলাখাঁকারি দেয়, ভাবখানা এমন, আমরা এসেছি, তবু কথা বলছ না?

এ নিদানে দায় তুমি, কার নামে খোঁজো! সব দায় নিজে নাও, নিজের গরজে।

মৌন ইতিহাস থেকে উঠে আসে বৃহৎ বিস্ফোরণ উড়ে যায় বৃহৎকেশীর মন খারাপের মেঘ

কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।

কিওকো নিওয়া জাপানের প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্য-গবেষক ও অনুবাদক। তিনি টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের সাবেক অধ্যাপক। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতকোত্তর (১৯৮৩) এবং ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি (১৯৮৮) অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় আধুনিক ও সমকালীন বাংলা সাহিত্য, বাংলা কবিতা ও তুলনামূলক সাহিত্য। দীর্ঘ শিক্ষকজীবনে তিনি টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।