
কালের সাক্ষী কুড়িগ্রামের ঐতিহাসিক চান্দামারী মসজিদ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত মোগল আমলের প্রায় সাড়ে চার শ বছরের পুরোনো চান্দামারী জামে মসজিদ। ইট-চুন-সুরকির তিন গম্বুজওয়ালা এ স্থাপনা ইতিহাস ও স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন।

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত মোগল আমলের প্রায় সাড়ে চার শ বছরের পুরোনো চান্দামারী জামে মসজিদ। ইট-চুন-সুরকির তিন গম্বুজওয়ালা এ স্থাপনা ইতিহাস ও স্থাপত্যের বিরল নিদর্শন।

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাঘড়া লস্কর গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে মোগল আমলের স্মৃতি বহনকারী ঐতিহাসিক ঘাঘড়া লস্কর খানবাড়ি জামে মসজিদ।

১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামো মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল।

‘রমজান’ শব্দটির আভিধানিক অর্থই হচ্ছে উত্তাপ, তাপের উচ্চমাত্রা বা পুড়িয়ে দেওয়া। রমজানকে তাই বলা যায়, গুনাহগার বান্দাদের গুনাহগুলো পুড়িয়ে নিজেদের শুদ্ধ করার মাস।

২০২৪ সালে ৮ আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকার বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়া ২৮ থেকে ৪২তম বিসিএসের বঞ্চিত হাজারো প্রার্থীকে পুনর্বহাল করলেও তাঁদেরই সময়ে হওয়া পরবর্তী বিসিএসগুলোতে একই প্রথার পুনরাবৃত্তি মেধাবীদের ক্ষুব্ধ করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘রিমেম্বারিং মনসুন রেভোল্যুশন’ কার্যক্রমের আওতায় আটটি সিনেমা তৈরির কথা ছিল। তার মধ্যে মাত্র তিনটি জমা পড়েছে, বাকি পাঁচটি নির্মাণই হয়নি।

২০২৪ সালে ৮ আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকার বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়া ২৮ থেকে ৪২তম বিসিএসের বঞ্চিত হাজারো প্রার্থীকে পুনর্বহাল করলেও তাঁদেরই সময়ে হওয়া পরবর্তী বিসিএসগুলোতে একই প্রথার পুনরাবৃত্তি মেধাবীদের ক্ষুব্ধ করেছে।

২০২৪ সালে ৮ আগস্টে ক্ষমতা গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকার বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়া ২৮ থেকে ৪২তম বিসিএসের বঞ্চিত হাজারো প্রার্থীকে পুনর্বহাল করলেও তাঁদেরই সময়ে হওয়া পরবর্তী বিসিএসগুলোতে একই প্রথার পুনরাবৃত্তি মেধাবীদের ক্ষুব্ধ করেছে।

আমলাতন্ত্র ও পুলিশি ভাষা, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ভাষা—সবই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে প্রভাবিত করেছে। কবিতা, স্লোগান, ব্যঙ্গ—সব সময় ভাষার রাজনীতিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেছে।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বাধীনভাবে অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারলেও এখন আর পারছেন না বলে আব্দুল জব্বারের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এটি সত্য নয়।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার ব্যয় কমানোর ব্যাপারটা আমলে নিয়েছে মনে হয়। মন্ত্রণালয় বা বিভাগ একীকরণ করে আকার ছোট করার, এবং ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি কেনা স্থগিত করা ও সরকারি প্লট না নেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়, কিন্তু এতগুলো উপদেষ্টা নিয়োগ, তাঁদের বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কৃচ্ছ্রসাধন নীতির পরিপন্থী।