
ইরানের কাছে এখনো ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আছে: সিআইএ
ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।

চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।

এক মাস ধরে চলছে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। এই যুদ্ধে কি কেউ সত্যিকার বিজয়ী হবে, নাকি জয়-পরাজয় আপেক্ষিক? হরমুজ প্রণালী ও আন্তর্জাতিক তত্ত্বের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩৬ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের বর্তমান কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট।

ইরান মনে করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে আগে পিছু হটেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই।

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

ইরান যুদ্ধে মার্কিন ঘাঁটি রক্ষায় পোল্যান্ডের প্যাট্রিয়ট সিস্টেম ধার চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ কোসিনিয়াক-কামিশ প্রত্যাখ্যান করেছেন। ন্যাটোর পূর্ব সীমান্ত রক্ষায় এটি ব্যবহার হচ্ছে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ট্রাম্প ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্যদের সমালোচনা করেছেন।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের নতুন চাল

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ নিয়ে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।