
শান্তি আলোচনার চেষ্টার মধ্যেই ইরানে আবার হামলার হুমকি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রাতে মার্কিন প্রতিনিধিদলের পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রাতে মার্কিন প্রতিনিধিদলের পাকিস্তান সফর বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন।

আরবের শাসকেরা কি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আশায় বসে থাকবেন, নাকি পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন?

যুক্তরাষ্ট্রের ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন শুরু করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খারগ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম আতঙ্কে আছেন প্রবাসী আহমেদ উল্লা। মঙ্গলবার মুঠোফোনে তিনি মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম যেদিন কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা হয়, সেদিন থেকেই আমরা চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যোগ না দেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পোপ লিও চতুর্দশের ইরান যুদ্ধ ও অভিবাসন নীতির সমালোচনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে ‘দুর্বল’ বলে আক্রমণ করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এবং সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন, ‘আমি এই পোপের একদমই ভক্ত নই।’ পোপও ট্রাম্পের পারমাণবিক হুমকিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলেছেন।

হুমকি ও পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেও হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পণ্যবাহী জাহাজ পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। প্রণালিটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছে তারা।

ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই বক্তব্যকে নিন্দনীয় ও ভয়াবহ বলে সমালোচনা করেছেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।

ইরানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও জায়নবাদী ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।

ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।