
মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন
মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন

মধ্যপ্রাচ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন

জাপান সরকার এখনো দোলাচল কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো যৌথ হামলা এবং সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জাপান সরকারের পক্ষ থেকে দেখানো হয়নি। বিস্তারিত তথ্যের ঘাটতির কথা বলছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের (কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

সব কটি দেশের দূতাবাসই নিজ নিজ দেশের সরকারের জারি করা নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছে।

ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।

ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বিরুদ্ধে শিশুহত্যার বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি।

পাস হওয়া বিলটি উচ্চকক্ষ সিনেটে অনুমোদিত হতে হবে। সিনেট রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ।

বিমানঘাঁটিটির অবস্থান কোথায়, তা উল্লেখ করেনি আইআরজিসি।

ফিলিস্তিনে ইসরায়েল রাষ্ট্রের উত্থান উগ্র ইহুদিবাদীদের দীর্ঘ পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের ফল। ধর্মগ্রন্থভিত্তিক কল্পকাহিনি ব্যবহার করে জায়নবাদীরা এটি প্রতিষ্ঠিত করেছে। ব্রিটিশদের অন্যায় সাহায্যে এই ‘বিষফোড়া’ জন্ম নেয়, ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ শুরু হয়।