
যে আসন পুরো দেশের আয়না
সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসন সবচেয়ে বেশি ভোটারের আসন। ভোটার আছেন আট লাখ সাড়ে চার হাজারের কাছাকাছি। তাঁদের অর্ধেকের বেশি নারী।

সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসন সবচেয়ে বেশি ভোটারের আসন। ভোটার আছেন আট লাখ সাড়ে চার হাজারের কাছাকাছি। তাঁদের অর্ধেকের বেশি নারী।

শুক্রবার রাত আটটার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জান্নাত বিক্রি করে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছেন। জান্নাতের মালিক তো মহান আল্লাহ। জান্নাতে কে যাবেন, কে যাবেন না—তা নির্ধারণ আল্লাহর হাতে। তাহলে জামায়াতকে জান্নাত বিক্রির ঠিকাদারি কে দিল।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি কামিয়াব করেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। দুর্নীতি যখন থাকবে না, তখন সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ যদি পেশিশক্তি ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। ভয় দেখিয়ে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার দিন শেষ।’

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের পাশাপাশি প্রবাসীদের ‘প্রবাসী কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে।

ফরিদপুর–৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা নিজের দল সামলাতে পারে না, তারা দেশও সামলাতে পারবে না। যারা নিজের দল সামলাতে পারে, তারাই ইনশা আল্লাহ দেশ সামলাতে পারবে।’

কক্সবাজারের টেকনাফের বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় হঠাৎ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক কিশোরীসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার আলীখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির–সংলগ্ন একটি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রার্থীর ব্যক্তি পরিচয়, পারিবারিক ইতিহাস, স্থানীয় প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই আসনে প্রার্থী সাতজন। নির্বাচনী প্রচারে এগিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুই প্রার্থী।