
বাংলাদেশ ব্যাংকে হেনস্তার শিকার আরও যত গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকে হেনস্তার শিকার আরও যত গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকে হেনস্তার শিকার আরও যত গভর্নর

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের করপোরেট খাত, বিশেষত ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের চর্চা থেকে সরে না এলে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে আকস্মিক পরিবর্তন দেশের আর্থিক খাত নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সিটি গ্রুপকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা তাই শুধু ২৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণের গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের কর্পোরেট অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত এবং উদ্যোক্তা সংস্কৃতির গভীরে লুকিয়ে থাকা কিছু বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি।

নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে।

পুঁজিবাজারকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান আর্থিক খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অর্থনীতি চাঙা করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ কারখানা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে আর্থিক খাতের জন্য একটি সাহসী ও যুগান্তকারী হিসেবে অভিহিত করেছে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংক এশিয়ার প্রকৃত আমানত ৪,০০০ কোটি টাকা বেড়েছে। শীর্ষ ব্যাংকগুলোর মধ্যে এই প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি। গ্রাহক আস্থা এবং বিভিন্ন খাত থেকে আমানত এর মূল কারণ।

অ্যাকচুয়ারি পেশা একটি অচেনা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র, বিশেষ করে ব্যাংক, বিমা ও অর্থনীতিতে ঝুঁকি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে।

দেশের অর্থনীতি জটিল সময় পার করছে, তবে প্রবাসী আয় ভালো। আইএমএফের সংস্কার শর্ত থেকে পিছু হটলে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে। রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপান্তর জরুরি।