
বিশ্বকাপের জুলে রিমে ট্রফি বনাম ফিফা ট্রফি
ফুটবলপ্রেমী পাঠক বিশ্বকাপের দুই ট্রফির ইতিহাস তুলে ধরেছেন। প্রথম ট্রফির নাম ছিল ‘ভিক্টোরি’, পরে ফিফা সভাপতি জুলে রিমের সম্মানে নাম হয় ‘জুলে রিমে ট্রফি’।

ফুটবলপ্রেমী পাঠক বিশ্বকাপের দুই ট্রফির ইতিহাস তুলে ধরেছেন। প্রথম ট্রফির নাম ছিল ‘ভিক্টোরি’, পরে ফিফা সভাপতি জুলে রিমের সম্মানে নাম হয় ‘জুলে রিমে ট্রফি’।

আগেই প্রায় নিশ্চিত হয়ে থাকা জয়ের ব্যবধানটা ঠিক হয়েছে ইনিংসের শেষ বলে, তারপরই বাংলাদেশের মেয়েদের এমন উদ্যাপন।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথমবার সরাসরি অংশ নেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয় দেব।

মেসির হ্যাটট্রিক কি আর্জেন্টিনার জন্য ‘অশুভ’ হবে

আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া। কাগজে-কলমে এটি ছিল একটি ফুটবল ম্যাচ, কিন্তু আমার কাছে এটি বহুদিনের এক স্বপ্নপূরণের গল্প।

সঞ্জয় মুক্তকণ্ঠকে জানান, ফিফার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার খবর প্রকাশের পর অনেকেই তাঁকে বাংলাদেশের জার্সি পরে মঞ্চে ওঠার পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন একটু ভিন্নভাবে

দেশের মানুষ দুশ্চিন্তায়। বিশ্বকাপে কোনো দেশকে সাপোর্ট করা শুধু ফুটবলীয় বিষয়ই নয়, এটি একটি জটিল ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত।

অনুষ্ঠানে পেরির প্রেমিক কানাডার সাবেক প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডোও উপস্থিত ছিলেন। তবে তার চেয়ে বেশি নজর কাড়ল এক খুদে গায়ক।

সঞ্জয় তাঁর জ্যাকেটের দিকে ইঙ্গিত করে বিশেষ নকশাগুলো তুলে ধরেন। যেন বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বলছিলেন, ‘এটাই আমার বাংলাদেশ।’ কোটি বাংলাদেশির কাছে মুহূর্তটি ছিল আবেগের ও গর্বের।

হয়তো র্যাঙ্কিয়ের তলানির কোনো দল ফেবারিটদের চমকে দেবে, আবার কোনো শক্তিশালী দলের সামনে গোলের বন্যায় ভেসে যাবে আন্ডারডগরা।

২০২৬ বিশ্বকাপে কেউ খেলছেন নিজ দেশের হয়ে, কেউ প্রতিনিধিত্ব করছেন ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকার দলকে। গতি, শক্তি, কৌশল আর সৃজনশীলতায় তাঁরা হয়ে উঠেছেন দলের ভরসা।

প্রায় এক দশক এল ক্ল্যাসিকোর উত্তাপে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, ব্যালন ডি’অর পালা করে জিতেছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে কখনোই দেখা হয়নি মেসি–রোনালদোর।