
পশ্চিমবঙ্গে এসে তৃণমূলকে হটানোর ডাক দিলেন নরেন্দ্র মোদি
মোদি জোর দিয়ে বলেন, এই রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি আর বেশি দিন চলবে না।

মোদি জোর দিয়ে বলেন, এই রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি আর বেশি দিন চলবে না।

এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।

ভারতের মহারাষ্ট্রের পৌরসভা ভোট এমন সব জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের জন্ম দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রাজ্য রাজনীতির চরিত্র বদলে দিতে পারে।

আরএসএস ভারতের গোঁড়া হিন্দু সংগঠন, যে সংগঠনের হাত ধরে বেড়ে উঠেছেন নরেন্দ্র মোদি, তা এখন বদলে দিচ্ছে ভারতের পরিচয়। লক্ষ্য, অসাম্প্রদায়িক ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত করা।

গত ছয় বছরে ভারত নানা ঔপনিবেশিক কৌশল ব্যবহার করে কাশ্মীরের ওপর তার দখল আরও কঠোর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক স্থবিরতা সৃষ্টি, জমি দখল এবং সমষ্টিগত শাস্তি দেওয়া।

বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশেষ করে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোয় মুসলিমদের লক্ষ্য করে গণপিটুনি, ঘরবাড়ি উচ্ছেদ ও মসজিদ-মাদ্রাসা ভাঙচুর বাড়ছে।
মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত আরও দুটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানকে সভাপতি করে অর্থ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থকে সভাপতি করে আইন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সুখেন্দু শেখর রায় ইস্তফা দেওয়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ সংসদ সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেন। আর এই বৈঠক হচ্ছে বিজেপি নেতা ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে।

বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলনে নামলেও ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৯ মে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর কথিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, গরুর মাংস কেনাবেচায় বিধিনিষেধসহ নানা পদক্ষেপে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে বর্বরতা বা নাগরিক হত্যা আর মেনে নেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্তে রাজনীতি বেশি দেখছেন তিনি। বিএসএফের ইতিবাচক ভূমিকা কামনা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর থেকে তৃণমূলের প্রত্যাশী রাজ চক্রবর্তী হেরে যান। ফল প্রকাশের দুদিন পর রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে বিজেপি সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। ২০২১ সাল থেকে পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।