
বদরের যুদ্ধ এবং ‘খেলাফতে রাশেদা’র সমাপ্তি
১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।

১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।

মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

আইয়ুবি শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল—রাজকোষের বাইরে ওয়াকফ্ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে এমন একটা স্বনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গড়া, যা শাসক বদলালেও টিকে থাকতে পারে।

প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে সংকটে ভুগছেন। অন্যদিকে সীমিত আয় করেও অনেক মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করছেন। কীভাবে? কারণ প্রকৃত স্বাচ্ছন্দ্য উপকরণে নয়।

মানুষ শুধু তথ্য গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ করে না; বরং তথ্যের অর্থ, মূল্য, দায় এবং পরিণতি সম্পর্কেও বিচার করতে সক্ষম। তার ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিহিত।

উত্তর আফ্রিকা ও আন্দালুসের রাজদরবারে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বিপর্যস্ত হয়ে ৭৮৪ হিজরিতে ইবনে খালদুন মিসরে আশ্রয় নেন। জীবনের শেষ দুই দশক তিনি কাটান কায়রো শহরে।

যেকোনো অন্যায্য ব্যবস্থা টিকে থাকে মানুষের নীরব সম্মতির ওপর ভর করে। ইয়াজিদের ক্ষমতারোহণের সময় অধিকাংশ মানুষ নিরাপত্তার স্বার্থে বা বৈষয়িক কারণে চুপ ছিল।

মহররম মাসের ১০ তারিখ—আশুরা। কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকেই এই দিন মানবসভ্যতার বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একাধিক সংস্কৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।

সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।

এআই আমলের গতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাদাব্বুর—গভীর ভাবনা, সঠিক নিয়ত, বিচক্ষণতা—এটা এখনো সম্পূর্ণ আমাদেরই কাজ।

ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?

৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে হোসাইন (রা.) এমন কঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে দৃশ্যমান বাস্তবতায় বিজয়ের সব পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।