
হেরে গেলেন গোলাম পরওয়ার, মঞ্জু ও কৃষ্ণ নন্দী, বিএনপি জিতেছে ৪টিতে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনের চারটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।

চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে বেসরকারি ফলে ৯টিতে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। আরও তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতেছেন দুটি সংসদীয় আসনে। বাকি দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীর ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

গত বছর একটা পর্যায়ে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া, নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম, আবুল কালাম এবং এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।

সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে তাহসিনা রুশদীর একমাত্র নারী। তাঁর স্বামী ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালকসহ ‘গুম’ হন।

ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

সিলেট–৪ আসনে আরিফুল হক ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬টি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়েছেন।

আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভাচ্ছে জানানো হয়।

মাদারীপুর-১ আসনে (শিবচর) নাটকীয়ভাবে বিএনপির প্রার্থীকে হারিয়ে ভোটে জয়ী হয়েছেন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী (রিকশা প্রতীক) সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা।