
পয়লা বৈশাখে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততার তাৎপর্য কী
এবারের পয়লা বৈশাখে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে একটি নির্দিষ্ট সামাজিক মুহূর্তের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে মানুষের অনুভূতি, আস্থা ও পরিস্থিতি একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।

এবারের পয়লা বৈশাখে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে একটি নির্দিষ্ট সামাজিক মুহূর্তের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে মানুষের অনুভূতি, আস্থা ও পরিস্থিতি একসঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।

বিশেষ হয়ে উঠেছে দুই বাংলার দুই গুণী শিল্পীর উপস্থিতিতে। এ ধরনের আয়োজন শুধু গান শোনার নয়, এটি একে অন্যকে আরও ভালোভাবে জানার ও বোঝার সুন্দর সুযোগ।

রুপাই আর সাজুর বিয়োগান্ত পরিণতি দর্শকদের সামনে জীবন্ত করে ফুটিয়ে তুলেছিলেন নৃত্যাঞ্চলের শিল্পীরা।

ঢাকার বাসাবোর বৌদ্ধমন্দির থেকে কিছুটা দূরে আমজাদুল হোসেন থাকেন।

মুক্ত আসর ও আমিই নজরুল আয়োজন করে ‘বৈশাখ মঙ্গল উৎসব’।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসী বাঙালিদের প্রাণের উচ্ছ্বাসে জমে উঠল বর্ণিল বৈশাখী মেলা।

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এ প্রদর্শনী চলবে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।

তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

সিলেটের বিশ্বনাথের ইব্রাহিম শাহের মাজার। প্রায় শত বছর ধরে মাজারের পাশে বাউলগানের আয়োজন করা হয়।

পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।