
স্বস্তির চুক্তি, নাকি ভবিষ্যতের বোঝা: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতার অর্থনীতি
নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।

নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।

বিনিময়ে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য নিজ দেশের বাজারে প্রবেশের পথে ভারত বাণিজ্য–বাধা হ্রাস করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘গোপন’ চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন–উদ্বেগ

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি গভীর দুর্বলতা সামনে এনে দিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ নেওয়ার পরও অর্থনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জ আছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন। নতুন সরকার কেমন অর্থনীতি পাবে, তা নিয়ে জল্পনা–কল্পনা শুরু হয়েছে।

সব করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। চলতি অর্থবছরে ইতিমধ্যে ৩৪ লাখের বেশি ই-রিটার্ন জমা পড়েছে।

ট্রাম্প ইউরোপের আটটি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্কারোপের ঘোষণা দিয়েছেন।

বন্ডের আওতায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির সুযোগ প্রত্যাহার করতে এনবিআরে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এনবিআর তা পর্যালোচনা করছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ভারতের চিন্তা নতুন করে বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ভারতের ওপর চাপানো শুল্কহার ৫০ থেকে বেড়ে ৭৫ শতাংশ হয়ে যাবে?

বিকাশ ব্যবহার করে ই-টিডিএস থেকে এ-চালানের মাধ্যমে বড় পরিমাণ অর্থের লেনদেন করতে পারবে কোম্পানিগুলো। এতে কর পরিশোধের ঝামেলা এড়ানো যাবে।

ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান