
স্থবিরতা কাটিয়ে অর্থনীতি গতিশীল হবে—এটাই আশা
নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।

নতুন বছরের প্রত্যাশা হলো, দেশে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা যেন থাকে। কারণ, স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো অর্থনীতি টেকসইভাবে এগোতে পারে না।
সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা ও মনিকা চাকমার ‘প্রথম কোচ’ শান্তিমনি চাকমা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁকে এখন চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে মার্কিন প্রশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক দুটি চুক্তি সই করেছে। ইরানের ওপর শান্তির শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার যে ক্ষমতা ইসরায়েল হারিয়েছিল, সেটি তারা এখন লেবাননে ফিরে পেতে চাইছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়। এমনকি শান্তিচুক্তির একটি বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো বলেও একে ধরা যায় না।

এই বর্ষায় পাহাড়ে না গেলেও পাহাড়ি খাবারে স্বাদ পেতে পারেন ঢাকার বনানীতে। শান্তিগ্রাম রেস্তোরাঁয় চলছে পাহাড়ি খাবারের উৎসব।

পলাতক নেতাদের উসকানিতে পা দিলে আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মীরা আর ‘শান্তিতে থাকতে পারবেন না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ।

সুইজারল্যান্ডের এ সপ্তাহজুড়ে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কারিগরি আলোচনা চলবে।

৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।

এর আগে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের আলোচনা শেষে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে সই করেছে। তবে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিভিন্ন পক্ষ থেকে চুক্তিটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থী ইরানবিরোধীরা একে একটি একপেশে চুক্তি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দলই একে একটি ‘বাজে চুক্তি’ হিসেবে গণ্য করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।