
আমাদের জীবনে আল্লাহর রহমত কীভাবে আসবে
মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি এই ‘দেওয়া-নেওয়ার’ ভারসাম্য জরুরি হয়, তবে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী হওয়া উচিত?

মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি এই ‘দেওয়া-নেওয়ার’ ভারসাম্য জরুরি হয়, তবে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী হওয়া উচিত?

মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।

যদিও বর্তমান জনসমাজে রজব মাসের সাতাশ তারিখটি অধিক পরিচিত, কিন্তু গবেষণালব্ধ মত অনুযায়ী রবিউল আউয়াল মাসের ১২ বা ১৭ তারিখ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।

ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।

আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’

মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।

আমাদের মসজিদগুলো কি কিশোর ও তরুণদের জন্য যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ? তারা কি মসজিদে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, নাকি সেখানে বড়দের ‘চুপচাপ থাকার’ নির্দেশ তাদের নিরুৎসাহিত করছে?

দাম্পত্য জীবনে ভাঙন কেবল বড় কোনো অনৈতিক কাজের কারণেই ঘটে না, বরং দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কিছু আচরণ ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের পথ প্রশস্ত করে।

ককেশাস অঞ্চলের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মস্কোর বর্তমান যে সামরিক সমীকরণ, যার প্রতিচ্ছবি আমরা ইউক্রেন যুদ্ধে চেচেন যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ থেকে দেখতে পাই, তার বীজ আছে ইতিহাসে।

চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে আল্লাহ নবীজিকে আকাশভ্রমণে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। জমিনে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আসমানের পক্ষ থেকে এ এক বিশেষ সংবর্ধনা।

আল্লাহকে চেনার এই আদিম আগ্রহ থেকেই মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রশ্ন করে আসছে, আল্লাহ কোথায় আছেন? তিনি কি আমাদের খুব কাছে, নাকি অনেক দূরে?

আমরা অনেকেই কোরআন পড়ি, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ঠিক কীভাবে পড়ছি? আমাদের পাঠ কি কেবল অক্ষরের উচ্চারণে সীমাবদ্ধ, নাকি তা আমাদের হৃদয়ের গভীরে রেখাপাত করছে?