
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডিতে করুন আবেদন, এমফিলে মাসে ২০০০০, পিএইচডিতে ৪০০০০ টাকা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তিতে আবেদন চলছে। জানুয়ারি–২০২৬ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তিতে আবেদন চলছে। জানুয়ারি–২০২৬ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগ

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপে আবেদনের পদ্ধতিসহ নানা তথ্যের জন্য ইনফরমেশন সেশনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাস।

এই স্কলারশিপের আওতায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

অস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েটদের জন্য পড়াশোনা শেষে কাজ করার সহায়ক সুযোগ রেখেছে।

বুয়েটে ভর্তি হওয়ার সময় থেকেই আবরার জানতেন, অনার্সের চতুর্থ বর্ষে উঠলে যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি পিএইচডির জন্য আবেদন করা যায়।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যৌথ প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের এখন আর একাধিক প্রদেশ বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা প্রাদেশিক বা টেরিটোরিয়াল অ্যাটেস্টেশন লেটার জমা দিতে হবে না।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রোটারি পিস ফেলোশিপ ২০২৭-২০২৮ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি একটি ‘পূর্ণ অর্থায়িত’ ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, যা ১৭০ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শান্তি ও উন্নয়ন খাতে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেবে।

চীনের বেইজিংয়ে ১৯১১ সালে যাত্রা শুরু সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির। চীনের অন্যতম সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কারণে বিশ্বে পরিচিত।

অস্ট্রেলিয়ার সরকার যদিও ২০২৬ সালের জন্য লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাড়িয়েছে, তবে গুণগত মান নিশ্চিত করতে এ কড়াকড়ি অন্য দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ তৈরি করলেও বাংলাদেশের জন্য তা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩১ মার্চ ২০২৬-এর আগে যদি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে, তাহলে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সমন্বয় করার সময় দিচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষার খাতের সুনাম বজায় রাখবে।

বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারলেও চীন, তাইওয়ান ও হংকংয়ের নাগরিকেরা আবেদন করতে পারবেন না।