
খলিফা ওমরের অর্থ ও বাজার ব্যবস্থাপনা
তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

বিটিএমএ বলেছে, এই শর্ত প্রত্যাহার করা হলে বন্ড–সুবিধার অপব্যবহার এবং বাজারে অসম প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। দেশীয় বস্ত্র খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।

বাজেটে রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্র বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে; যা কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের ওপর চাপ বাড়াতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে করদাতাদের সুবিধা হবে।

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)।

র্যাপিড আরও বলছে, সরকারঘোষিত ৪১ লাখ দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হলে দারিদ্র্যের হার এক ধাক্কায় ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নামবে।

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট বণ্টন ও মিউটেশনেও আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।

বড় করদাতাদের কর রেয়াত সুবিধা কমবে। আগের মতো একই কর রেয়াত পেতে হলে আগের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।

রিহ্যাব সভাপতি বলেন, বাজেটের কর প্রস্তাব দেখে মনে হচ্ছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী আবাসন খাতকে রাজস্ব আদায়ের যন্ত্র বানাতে চাচ্ছে প্রশাসন।

সমাবেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তিকে ‘জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাবিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দেন সাইফুল হক।

বাস্তবতা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের জীবনের প্রতিটি ধাপ যেন বাধা অতিক্রমের পথ পেরোতে হয়। ব্যবসা শুরু করতে হলে নিবন্ধন ও অনুমোদনের পেছনে ছুটতে হয়।

রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।

যাঁরা বিদেশে থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারেন না, প্রস্তাবিত বাজেটে তাঁদের রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তিন ধরনের করদাতারা এ সুযোগ নিতে পারবেন।