
গুচ্ছকবিতা :: জফির সেতু
তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।

তুমি জগজ্জননী, দেবীচক্ষু, জেগে আছ ঘরের ঈশান কোণে, কঙ্কালের পাশে।

শিলাবৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে থলে–উপুড় কড়ি সামন্ত দম্ভোলে কাঁপে নারী ও শিল্পজিজ্ঞাসা!

পুরাতন বইয়ের মতো নিজেকে একনিশ্বাসে পড়তে পড়তে শেষ পৃষ্ঠায় এসে থমকে গিয়ে দেখি, আঙুলের ডগা থেকে উড়ে যাচ্ছে জ্বলন্ত অক্ষর...

স্থপতি রবিউল হুসাইনের জীবন ও কর্ম কেবল স্থাপত্য বা কবিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না।

চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।

ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলি একে একে স্পর্শ করে দেখি অভ্যাসের বকুল কুড়াই

বাঁচামরা যখন বিচিত্র নলে, ভীষণ শীতাতপ— ফিনাইলমেশা হাওয়া আর মনিটরে রঙিন ঢেউ

আলোর দুহাত দিয়ে আমায় জড়িয়ে রেখেছে ঠোঁটের স্পর্শে মাখামাখি হচ্ছে

এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।

পিছলে যাচ্ছে সাবানমাখা বাসন চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া

মানুষ যখন জীবনের দুই প্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়ে—না পারে ফিরে যেতে, না পারে সামনে এগোতে—ঠিক সেই দ্বিধার জায়গাটাকেই এই গান সহজ ভাষায় প্রকাশ করে।

ফেলে আসা সংসারের পুতুলবাঘ তবু স্বপ্নে দেখি—বাঘচোখের খাদে কবে যেন আমার কোনো করুণ মৃত্যু ছিল বলে