
কঠোর হামলার হুমকি, অনড় ইরান
যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

স্মোট্রিচ বলেন, হামাস নিঃশেষ হওয়ার আগে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধ করবে না ইসরায়েল।

ইহুদি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস থেকে শুরু করে আধুনিক ইসরায়েল-ইরান দ্বন্দ্বের বিশ্লেষণ। ইরান টিকে থাকার কৌশল অনুসরণ করছে, আমেরিকা-ইসরায়েলের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামতসহ সভ্যতার দীর্ঘতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি হতে হলে একটি ‘ইসরায়েল বাধা’ টপকাতে হবে।

ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।

দুবাই উপকূলে ইরান কুয়েতি তেল ট্যাঙ্কার আল-সালমিতে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি না খোলায় ইরানের তেলকূপ ও এনার্জি প্ল্যান্ট ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াচ্ছে।

ইরান হরমুজ বন্ধ করে দিলে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে পার হতে সহায়তা করতে নতুন অভিযানের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়। এমনকি শান্তিচুক্তির একটি বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো বলেও একে ধরা যায় না।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও চাপে বৈশ্বিক তেলবাজার। হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহঝুঁকি বেড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।