
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত লেবানন–ইসরায়েল চুক্তি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’

ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানিসংকটে পড়া ইউরোপ চীনের কৌশল অনুসরণ করে অরাজক বিশ্বে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। চীনের আগাম প্রস্তুতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুল্ক ও বাণিজ্য অস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপ নিজেদের সুরক্ষা করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব দ্রুত’ ইরান থেকে সরে আসবে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরে ‘স্পট হিট’ দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ন্যাটোর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করছেন। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের পর সরকার পরিবর্তন ও চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।

ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’

ওমান উপসাগরে ইরান তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি দুই জাহাজ অচল করেছে। হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে। কাতার-পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রচেষ্টা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও চাপে বৈশ্বিক তেলবাজার। হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহঝুঁকি বেড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।

ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য অগ্রাধিকার সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি বজায় রেখে আঘাত সহ্য করা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া।

কট্টরপন্থীরা প্রতিশোধমূলক অবস্থান নিতে চাইতে পারেন, যদিও তার বাস্তবসম্মত কোনো লক্ষ্য নেই।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চাইছে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে। বাণিজ্য, তাইওয়ান ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার মধ্যে বিশ্বের নতুন সমীকরণ ফুটে উঠছে।

ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।

এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষায় মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান জুনে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না সেটা তিনি ‘পাত্তা দিচ্ছেন না।’