
জামায়াতের আমির বললেন, নির্বাচনে যুবকদের ভোটের প্রতিফলন হোক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৪ আসনে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

জোনায়েদ সাকি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা তোমাদের এমন একটা মায়ের জাতি উপহার দেব ইনশা আল্লাহ, যাঁরা ঘরে, যাতায়াতে এবং কর্মস্থলে পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে অবদান রাখবেন। সেখানে তাঁরা সম্পূর্ণ নিরাপত্তা এবং সম্পূর্ণ সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘ভাই, আমাদের কাছে কোনো কার্ড নেই। আপনারা সবাই ভাইবোনেরা আমাদের কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা একটা ভালোবাসার কার্ড চাই।’

ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ‘ভোট শুধু আপনাদের অধিকার নয়, এটি একটি পবিত্র দায়িত্ব।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নূরজাহান সড়কে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বাসায় যান ববি হাজ্জাজ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণ ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে এবং তাঁদের প্রকৃত প্রতিনিধিকে বিজয়ী করবে।

সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, শ্রম আইনের ব্যাপক সংস্কার, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্কচুক্তি, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

২২টি রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে প্রার্থী দিয়েছে। বিএনপি দিয়েছে ৬ জনকে। সর্বোচ্চ ১৭ জনকে প্রার্থী করেছে সিপিবি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হচ্ছে দেশ গড়ার নির্বাচন মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, এরই মধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। একটি রাজনৈতিক দল ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু করে দিয়েছে।

অবশেষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু হয়ে গেল। এর আগে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থী ফরম সংগ্রহ ও জমা দান, প্রার্থিতা যাচাই–বাছাই, আপিল, চূড়ান্ত প্রার্থিতা ঘোষণা ইত্যাদি নিয়ে সরগরম পরিস্থিতিও দেখা গেল। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি নিয়ে তর্কবিতর্কও ছিল চরমে।