
ইইউ ও ভারত ‘ঐতিহাসিক’ বাণিজ্য চুক্তি সই
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।

ইশতেহারে বলা হয়, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রাজনীতির মূল দর্শন হলো মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখা।

চীনা রাশিচক্র অনুযায়ী ২০২৬ সাল হলো ‘আগুন-ঘোড়ার বছর’। ঘোড়া শক্তি ও গতির প্রতীক।

অতীতেও বিভিন্ন সময় মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে উত্তেজনার সময় অঞ্চলটিতে বাড়তি বাহিনী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

কাশ্মীরে যা ঘটছে, তা আসলে বর্জন ও ভয়ের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পেরই স্বাভাবিক পরিণতি। যারা আগে থেকেই অবিরাম অবরোধ ও নজরদারির মধ্যে বসবাস করছে, সেই মুসলমানদের এখন আরও বেশি প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের ভিত্তিতে তাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মুসলমানদের ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক মনে হয় না।

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকিকে ঘিরে উত্তপ্ত বিশ্বরাজনীতি। যার প্রভাব পড়েছে ফুটবল মঞ্চেও।

গত অক্টোবরে মার্কিন সিনেটে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের শুনানিতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছিলেন।

ভারতে এমন একসময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে সের্জিও গোরের আগমন ঘটছে, যখন দেশ দুটির সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে এক গভীর সন্ধিক্ষণে।

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন জহির উদ্দিন আহমেদ। সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন ও অতীতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে চলছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলন উপলক্ষে সিইও জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি)।

আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?

বিশ্বরাজনীতিতে যাঁরা ক্ষমতার কেন্দ্র দখল করে আছেন, তাঁদের ভূমিকা বোঝার ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত তাকাই সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক প্রভাব কিংবা আদর্শিক অবস্থানের দিকে।