
শ্রীলঙ্কাকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ
কলম্বোয় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেন হাওয়েল শ্রীলঙ্কা সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছেন, বুশেহর জাহাজের ক্রু ও ডেনা থেকে বেঁচে ফেরা ৩২ সদস্যের কাউকেই ইরানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।

কলম্বোয় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জেন হাওয়েল শ্রীলঙ্কা সরকারকে স্পষ্ট করে বলেছেন, বুশেহর জাহাজের ক্রু ও ডেনা থেকে বেঁচে ফেরা ৩২ সদস্যের কাউকেই ইরানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন পায়নি। বোমা বিক্রিতে তাই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

জ্বালানি তেল নিয়ে সংকটের আশঙ্কায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা আগের অবস্থায় ফিরতে সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা।

দিন দিন যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এভাবে কত দিন রুমের মধ্যে বসে থাকতে হবে, জানি না। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, বুঝতে পারছি না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হতে পারে—এমন আতঙ্কে খুলনা ও সিলেটের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল কিনতে ভিড় করছেন চালকেরা। কোথাও ‘তেল নেই’, কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।

ইন্টারনেট নেই বললেই চলে। আগে থেকেই একটি ভিপিএন প্যাকেজ কিনে রেখেছিলাম। দিনে দু–একবার সংযোগ পাওয়া যায়। তখনই জরুরি যোগাযোগগুলো সেরে নেই।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

সিএনএনের উপস্থাপক ডানা ব্যাশকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ট্রাম্প।

কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। একটু আগেই যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটার সঙ্গে যে আমার ভাইয়ের নামও জড়িয়ে যাবে, কল্পনাও করিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করবেন না তিনি।

এই হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনে নয়। এই পরিকল্পনা বহু আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল তেল আবিবে।