
ঢাকা-৬ আসনে বিজয়ী বিএনপির ইশরাক হোসেন
ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন৷

ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন৷

ফজলুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট।

স্বাধীনতার পর এই প্রথম জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপি বিজয় লাভ করেছে।

বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী ও শাজাহানপুর) জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট।

বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।

নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ। ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট।

হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) জয়ের পথে আছেন তিনি।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হককে (নুর) অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্ব হাসান মামুন।