
বর্জ্য অপসারণে ব্যস্ত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন
ঈদের দিনে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ঈদের দিনে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কাঁচা চামড়ার ক্রেতা ও বিক্রেতা, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। বাজার পরিস্থিতি, মূল্য, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন তিনি।

আধঘণ্টার ব্যবধানে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

ঢাকা উত্তর সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ বলছে, বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার ৮৯০ জন কর্মী কাজ করবেন।

এই বিশাল আয়োজনের ফলে কোরবানির দিনে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কিয়েভের বাসিন্দাদের সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনার কাছাকাছি না যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে ভালো চিকিৎসক, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী এবং সক্ষম প্রতিষ্ঠান আছে। সমস্যা অনেক সময় দক্ষতার অভাব নয়; সমস্যা হলো রোগীকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনার অভাব।

বাংলাদেশে কোরবানির সময় পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। প্রতিবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে লাখ লাখ পশু জবাই করা হয়, যার ফলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সৃষ্টি হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্স প্রোগ্রামে (৯ম ব্যাচ) ভর্তি চলছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, বর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিতভাবে নালা নির্মাণের কারণে সামান্য বৃষ্টি হলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

ছুটি বাড়ানোর কারণে কয়েক বছর ধরে আগেভাগে যাঁরা বাড়িতে যান, তাঁরা স্বস্তিতে যেতে পারলেও ঈদযাত্রার শেষ দিনগুলোয় সেই চিরচেনা ভোগান্তি পিছু ছাড়ছে না।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ ৩০টি মোড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা বসানোর পর ট্রাফিক আইনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।