
যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমান
নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। সহিংসতা বরদাস্ত করা হবে না, আইন সবার জন্য সমান প্রযোজ্য হবে।

নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। সহিংসতা বরদাস্ত করা হবে না, আইন সবার জন্য সমান প্রযোজ্য হবে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রোটারি পিস ফেলোশিপ ২০২৭-২০২৮ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি একটি ‘পূর্ণ অর্থায়িত’ ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, যা ১৭০ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শান্তি ও উন্নয়ন খাতে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেবে।

সামাজিক পরিসরে ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে চলেছেন অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহিদা আখতার। তিনি শান্তি ক্যানসার ফাউন্ডেশনের সভাপতি।

চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে কিছু কাজ হয়েছে। এখন অর্থনীতির সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়েও আলাপ জরুরি। অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ছাড়া কেবল রাজনৈতিক সংস্কার দেশে শান্তি আনবে না। অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন আলতাফ পারভেজ।

‘স্বাধীনতার সেই ঘণ্টা বেজে উঠেছে’—৩ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এমন ঘোষণাই দিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এনজিএসি গঠিত হয়েছে।

মাচাদো বলেন, তিনি ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপস্থাপন করেছেন। তবে ট্রাম্প সেটি গ্রহণ করেছেন কি না, তা তিনি বলেননি।

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।

অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মানসিক শান্তি, দক্ষতা অর্জন, সম্পর্ক এমন কয়েকটি দিকে যদি একটু মনোযোগ দিতে পারেন, তাহলে ২০২৬–ই হতে পারে আপনার স্বপ্ন পূরণের বছর।