
এশিয়ায় নিজ বলয় হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মিত্ররা ঝুঁকছে মার্কিন প্রতিপক্ষের দিকে
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজারে যে ধাক্কা লেগেছে, তাতে এশিয়ার অনেক দেশের নাজেহাল অবস্থা।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজারে যে ধাক্কা লেগেছে, তাতে এশিয়ার অনেক দেশের নাজেহাল অবস্থা।

ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর কলিমেনকো জানিয়েছেন, এক ব্যক্তি রাস্তায় নেমে লোকজনের ওপর গুলি চালাতে থাকেন।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন শহরের মেয়র।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। আইএসপিআর-এর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা করে সামরিক সম্পর্ক জোরদারের আশা প্রকাশ করেছে। সাক্ষাৎ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে হয়।

অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়া যুক্তরাজ্যের কূটনীতিক আলবার্তাস গেরহার্ডাস জেনস ভ্যান রেনসবার্গকে বহিষ্কার করেছে। মস্কো নিজ দেশের নাগরিকদের ব্রিটিশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ এড়াতে সতর্ক করেছে। যুক্তরাজ্য অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

রাশিয়ার ‘আনাতোলি কোলোদকিন’ ট্যাংকার ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে কিউবার মাতানজাস বন্দরে পৌঁছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সত্ত্বেও মস্কো কিউবার পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। জ্বালানিসংকটে জর্জরিত কিউবায় এ তেল সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ।

কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোমে মেরামত করা একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে রোববার একটি সয়ুজ রকেট উৎক্ষেপণ করেছে রাশিয়া।

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা যেতে পারে। এ ঘটনা এমন এক বিশ্বে মার্কিন শক্তির সীমাবদ্ধতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে, যেখানে কোনো দেশই আর যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা নেতৃত্ব মেনে নিতে রাজি নয়।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জেরে চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, আবুধাবি, শারজাসহ বিভিন্ন গন্তব্যের একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার আরও চারটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শুধু ইরানে নিহত হয়েছেন ৬ শতাধিক মানুষ। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও। তাতে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ।

পুতিন আসলে কী চান

রাশিয়ার হাতে এখনো পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের ২০ শতাংশ ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে