
ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করে শীর্ষ মার্কিন সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তার পদত্যাগ
ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।

ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে (রণাঙ্গনে) লড়াই বন্ধের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইরানকে তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।

তিনি কখনো ইরান যুদ্ধের বড় সমর্থক ছিলেন না; এখনো যতটুকু সম্ভব নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন

বুধবার রাতে সিনেটে ৫০–৪৭ ভোটে একটি যুদ্ধক্ষমতা–সংক্রান্ত প্রস্তাব আটকে দেওয়া হয়

ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের হত্যা করতে আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরান হরমুজ বন্ধ করে দিলে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে পার হতে সহায়তা করতে নতুন অভিযানের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।

জ্বালানি ও কাঁচামালের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর বিষয়ে দীর্ঘকাল ধরে চেষ্ট করে আসছে বেইজিং।

চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।