
কঠোর হামলার হুমকি, অনড় ইরান
যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে পৌঁছার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত নয়টি উড়োজাহাজ ভূপাতিত বা ধ্বংস হয়েছে। বিবিসির তালিকায় ৫ এপ্রিল থেকে ২ মার্চের মধ্যে এফ–১৫ই, ই-৩ সেন্ট্রি, কেসি-১৩৫সহ বিভিন্ন ধরনের বিমানের ঘটনা উল্লেখ আছে। ছবি বিশ্লেষণ ও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে ইরানে কট্টরপন্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক। চলমান পরিস্থিতিতে তেহরানের পরমাণু বোমা তৈরি করা উচিত কি না-এই বিতর্ক এখন দেশটিতে জোরালো হয়ে উঠেছে। অনেকে প্রকাশ্যেই এ নিয়ে কথা বলছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ইরান প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ উভয় সংকটে ফেলেছে জাপানকে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানাচ্ছে ইরানে হামলায় যোগ দিতে; অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান তেল সরবরাহ বন্ধ করায় ভুগতে হচ্ছে জাপানকে। যুদ্ধে না জড়িয়ে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায়ই সংকট উতরে যেতে চাইছে টোকিও।

মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।

ইরান অতীতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।

ইরানকে কয়েক দিনের যুদ্ধে পরাভূত করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এখন ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানের জনগণকে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল।

ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ‘জুজুৎসু’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে অভাবনীয় ছাড় আদায় করেছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলই এখন তার বিরুদ্ধে ফিরে আসছে। এটি ২০১৫-এর পারমাণবিক চুক্তির চেয়েও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।