
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনা স্থগিত
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনা স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনা স্থগিত

নৌ অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।

গত ২৫ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যত সামরিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে, তার মধ্যে ইরান যুদ্ধ সম্ভবত সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ আফগানিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ায় চালানো সামরিক হস্তক্ষেপের মতো ছিল না। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শুধু আরেকটি মার্কিন সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা থেকে টিকে যায়নি; যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের এই যুদ্ধ কখনোই কেবল একটি সরকারের ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই ছিল না।

মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর দেশে চাপে নেতানিয়াহু

এরই মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু অক্টোবরের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জনমত জরিপে এবারের নির্বাচনে তাঁর ডানপন্থী জোটের পরাজয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা স্মারক সই

ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা। এর মধ্যেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলমান বৈরিতা, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হুমকি ও সংঘাতের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ঘোষণার ঘটনা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।