
বর্ষবরণের পৌরাণিক গাথার শিক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ
মন্দির, রাস্তা ও জনসমাগমস্থলে মানুষ প্রার্থনা ও মৈত্রী পানিবর্ষণের মাধ্যমে উৎসবটি উদ্যাপন করে থাকে। তবে এই বর্ষবরণের উৎসব শুধু একটি উৎসব নয়। এটি একটি মহাজাগতিক পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে যুক্ত।

মন্দির, রাস্তা ও জনসমাগমস্থলে মানুষ প্রার্থনা ও মৈত্রী পানিবর্ষণের মাধ্যমে উৎসবটি উদ্যাপন করে থাকে। তবে এই বর্ষবরণের উৎসব শুধু একটি উৎসব নয়। এটি একটি মহাজাগতিক পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে যুক্ত।

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিশ্র ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের অনলাইন সুবিধার অভাবে এতে ক্ষতি হবে। লেখক বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।

লোকসাহিত্য ছাড়াও নানা বিষয়ে বম ভাষায় তাঁর বইয়ের সংখ্যা ৭। দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে চলা এই লেখকের গল্পই এখানে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও রাঙামাটি পার্বত্য আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানকে আবার মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান জানিয়েছেন, পাহাড়ি সম্প্রদায়গুলোর নববর্ষ এখন ‘বৈসাবি’ নামে নয়, নিজস্ব নাম ও রীতিতে উদযাপিত হবে। বিজু, সাংগ্রাইসহ বিভিন্ন উৎসবের স্বকীয়তা রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১২-১৪ এপ্রিল বর্ণাঢ্য আয়োজন শুরু হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন সংসদীয় আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর চেয়ে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। তিন আসনে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০৩ জন। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯১ জন। অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’–এর চেয়ে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২টি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ইশতেহারে বিএনপি যে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেটা পাহাড়ে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। কারণ, এসব ট্যুরিজম জোন গড়তে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের উচ্ছেদ হওয়ার উদাহরণের অভাব নেই।

পার্বত্য চট্টগ্রাম দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ফল উৎপাদনের এক সম্ভাবনাময় ভূখণ্ড।

নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না দুই আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। এই অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর এই দুটি দলের প্রভাব রয়েছে।

যূথিকা ত্রিপুরার বাড়ি পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার দুর্গম বিষ্ণু কার্বারিপাড়ায়। তাঁর মতো এভাবেই পানির জন্য প্রতিদিন দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয় পাড়ার বাসিন্দাদের। কুয়াটির পানির ওপর নির্ভরশীল গ্রামের সাত শতাধিক পরিবার।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কেবল বৃহত্তর চট্টগ্রামের নয়, বরং কক্সবাজার, পার্বত্য জেলা, নোয়াখালীসহ পুরো অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল।

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।