
চট্টগ্রামের রাউজানে যেভাবে খন হন যুবদল কর্মী নাসির
ঝড় শুরু হয়েছিল তখন। দমকা বাতাসের সঙ্গে নেমেছিল বৃষ্টিও। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পুরো এলাকা ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। যুবদল কর্মী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন তখন বাজারে ছিলেন।

ঝড় শুরু হয়েছিল তখন। দমকা বাতাসের সঙ্গে নেমেছিল বৃষ্টিও। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পুরো এলাকা ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন। যুবদল কর্মী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন তখন বাজারে ছিলেন।

বাংলাদেশে বজ্রপাত এপ্রিলে তীব্র হয়, আর মে মাসে পৌঁছায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। এরপর জুন-জুলাইয়ে কমতে শুরু করে। এভাবে বজ্রপাতে প্রতিবছর কয়েক শ মানুষের মৃত্যু হলেও তা কমাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কালবৈশাখীতে গাছ উপড়ে বসতঘরের ওপর পড়ে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার ভোরে উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কাজেই আমরা বেলা তারের ছবির পরিস্থিতিটাকে বদলে ফেলে নিৎশের তুরিন নাটক নিয়ে ভাবতে পারি। ধরা যাক, মানুষের জীবনে ছবির ওই নিরবচ্ছিন্ন তুষারঝড় নেই, কুয়ার পানি শুকিয়ে যায়নি, আলো নেভেনি কিংবা লন্ঠনের তেলও শেষ হয়ে যায়নি।

আগামীকাল বিকেলেও বৃষ্টি ঝরতে পারে এ নগরীতে। আসলে এ মাসের প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে থেমে থেমে এভাবে বৃষ্টি হতে পারে।

গত পরশু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ঝড় তুলেছিলেন নাহিদ রানা। নেন ৩২ রানে ৫ উইকেট, হয়েছেন ম্যাচসেরাও।

১২ ও ১৯ এপ্রিল এইচবিওতে মুক্তি পেয়েছে সিরিজটির তৃতীয় মৌসুমের প্রথম দুই পর্ব, যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়।

ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বৈশাখ মানে কালবৈশাখী ঝড়ের আতঙ্ক এবং টিকে থাকার লড়াই। শহরের উৎসবের বিপরীতে এখানে মানুষ আকাশের দিকে চেয়ে থাকে ঝড়ের আশঙ্কায়। প্রতি বছর শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবু চরের মানুষ নতুন করে শুরু করে।

বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রতি বছর ৩০০-৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। বজ্রঝড়ের কারণ, ঝুঁকি এবং প্রতিরোধের সহজ উপায়গুলো জানুন। সঠিক সচেতনতা ও সতর্কতা জীবন বাঁচাতে পারে।

র্যাপার বাদশার ‘টাটিরি’ গানে নারীদের আপত্তিকর উপস্থাপন নিয়ে বিতর্কের ঝড়। হরিয়ানা নারী কমিশনে হাজিরা দিয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি নারী ক্ষমতায়নের গান বাঁধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গানের ৮৫৭টি লিংক প্ল্যাটফর্ম থেকে সরানো হয়েছে।

খুলনার কয়রা উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ৯৭ শতাংশ পরিবার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গবেষণায় লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।