
গুচ্ছকবিতা :: নীলিমা শিরীন
মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।

মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।

প্রদগ্ধ হৃদয়—সে–ও অন্ধ বাদুড় এক—প্রক্ষেপণ করে শ্রুতির অধিক প্লুতস্বর— সংবিগ্ন স্যানিটোরিয়াম, নিক্রপলিসের কোনো মর্মর দেয়ালে…

বুকে প্রেক ঠুকে ঠুকে শীতল দাহের পর কবেকার প্রেমপত্রখানি পড়ে চোখে

এক ভাগ নিয়ে তোমরা কাড়াকাড়ি করো অর্ধেক আমি মারসোর সাথে প্রতিদিন মৃত্যুকে

মোহন রায়হানের পুরস্কার বাতিল, বিতর্ক

রাত নামলে নিজেকে পিং করি ক্রমাগত, উত্তর আসে না, বৃষ্টি থেমে আছে শিরার ভেতর—যেন লেথের বিস্মৃতির জল।

হৃৎজলে বুনো হাঁসের সাঁতার— আকাশে রঙিন ঘুড়ি—

যাই যাই শীতে শুনি আজ বসন্তের আগমন ধ্বনি এই বুকে প্রেম—আলোদীপ্ত—দ্রিমিদ্রিমি প্রেমের সিম্ফনি!

শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাসহ মোট ১৫টি ভাষায় কবিতাপাঠ ও আবৃত্তির আয়োজন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

পড়ছো ডিলান টমাস। “এভরিম্যানস পোয়েট্রি”। সোয়ানসিতে যাচ্ছে বয়ে রিভার তাওয়ে।

চাটাই বিছিয়ে বই বেচছেন চিত্তরঞ্জন সাহা একুশের দিনভর: কী অবাক দুরূহ সেই গদ্যছবি