
হরমুজে অবরুদ্ধ জাহাজগুলোকে মুক্ত করার ট্রাম্পের ঘোষণা কি দর-কষাকষির নতুন কোনো কৌশল
এর থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে উদ্যোগ নেবে।

এর থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে উদ্যোগ নেবে।

১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ শুরু করে।

রাউজানে বিএনপি কর্মীর লাশ রেখে স্বজনদের সড়ক অবরোধ

সাবেক ছাত্রদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন।

ইরান হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়ায় ও যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার কারণে বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘লেনদেনা’ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ বহাল থাকবে।

এ দেশে তো লোকেরা কথায় কথায় শাহবাগের মোড় অবরোধ করে দাবিদাওয়া জানায়। নারীর বিষয়টি নিয়ে কারও মাথাব্যথা দেখলাম না। কোনো নাগরিক সংগঠন এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য করেনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের ‘আঘাত সামরিক হামলার আওতার মধ্যে’ রয়েছে।

হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

আয়ারল্যান্ডে ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে জ্বালানি-কেন্দ্রিক অবরোধ আন্দোলন শুরু হয়েছে। ট্রাকচালক, কৃষক ও শ্রমিকরা কর হ্রাস, ভর্তুকির দাবিতে রাস্তা অবরুদ্ধ করেছে, ফলে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাশিয়ার ‘আনাতোলি কোলোদকিন’ ট্যাংকার ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে কিউবার মাতানজাস বন্দরে পৌঁছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সত্ত্বেও মস্কো কিউবার পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। জ্বালানিসংকটে জর্জরিত কিউবায় এ তেল সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ।