
নিরাপত্তা ও ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ নিরসন জরুরি
মুঠোফোন আমদানিতে কর ফাঁকি রোধ, অবৈধ ও নকল মুঠোফোনের প্রবাহ বন্ধ করা এবং এ-সংক্রান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু করেছে সরকার।

মুঠোফোন আমদানিতে কর ফাঁকি রোধ, অবৈধ ও নকল মুঠোফোনের প্রবাহ বন্ধ করা এবং এ-সংক্রান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালু করেছে সরকার।

জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে গুমের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

এখন এ ঘটনার রাজনৈতিক কাঠামোটিকে আরও স্পষ্টভাবে দেখা দরকার। সক্রেটিসের মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনা ছিল না, এটি ছিল একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ফল। এ প্রক্রিয়ার নাম দেওয়া যায় ‘দোষারোপের রাজনীতি’ বা পলিটিকস অব স্কেপগোটিং (বলির পাঁঠা বানানোর রাজনীতি)। প্রতিটি শাসন পরিবর্তনের পর একটি নতুন শাসন তার বৈধতা প্রমাণ করতে চায় পুরোনো শাসনের সঙ্গে যুক্ত কাউকে শাস্তি দিয়ে। কিন্তু যখন আইনি জটিলতায় প্রত্যক্ষ অপরাধীদের ধরা যায় না, তখন দরকার হয় প্রতীকী শিকারের। সক্রেটিস সেই প্রতীক হয়েছিলেন কয়েকটি কারণে।

হোয়াটসঅ্যাপ প্রতারক ও সাইবার অপরাধীদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

‘যদি দানব হাসিনা, আল্লাহ না করুক, আবারও ফিরে আসে, যারা ফেসবুকের প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবনটা কালো করে ছাড়বে,’ বলেছেন রেহানা আক্তার রানু।

তিনি নিজেও বাজার পর্যবেক্ষণে বের হতেন। পাগড়ি মাথায়, লাঠি বা চাবুক হাতে তিনি মদিনার বাজারে বাজারে হাঁটতেন এবং অপরাধী দেখলে শাস্তি দিতেন।

সন্ধ্যায় প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাতে দেশের মা–বাবার কথা মনে পড়ে, তাঁদের সেবা করতে না পারার অপরাধবোধ কাজ করে।

পুলিশের শীর্ষ পদে থেকে বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও অপরাধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, সেটি প্রকৃতপক্ষেই ‘বে–নজির’।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পাশাপাশি দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন, জমি দখল, অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে।

ছাত্রশিবির কর্তৃক প্রকৃত গুমের শিকার ভিকটিমদের অবমাননা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

অপরাধীকে ধরতে কতই না ফন্দিফিকির করতে হয় পুলিশকে। তবে পেরুর রাজধানী লিমার পুলিশ যেন এক ধাপ এগিয়ে। ফুটবলপ্রেমী এক মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে রীতিমতো ফুটবল বিশ্বকাপের মাসকট সেজেছিল তারা।

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সহায়তায় নিনো গেরেরোকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।