
ভাবসম্পদ ও রাজনৈতিক গঠন
বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

আবুল হুসেনের প্রয়াণের পর মাসিক মোহাম্মদীতে সুফী মোতাহার হোসেনের অগ্রন্থিত নিবন্ধ ‘আবুল হুসেন’ প্রকাশিত হয়েছে। এতে বর্ণিত হয়েছে আবুল হুসেনের সংগ্রামী জীবন, সাহিত্য-সাধনা ও সমাজসেবার কথা। নিবন্ধের সঙ্গে তাঁর একটি বিরল ছবি রয়েছে।

মোস্তফা মোহাম্মদের নতুন গ্রন্থ <em>বাংলাদেশের সাহিত্য: ভিন্নমাত্রা অন্যসুর</em> বাংলাদেশের সাহিত্যচিন্তাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উন্মোচিত করেছে। এটি ভাষা, সমাজ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর যাত্রা। বিখ্যাত সাহিত্যিকদের বিশ্লেষণসহ গ্রন্থটি পাঠকের জন্য মূল্যবান সঙ্গী।

আবুল মনসুর আহমদের প্রাসঙ্গিকতার প্রধানতম ভিত্তি হলো তাঁর অপরাজেয় ব্যঙ্গ সাহিত্য বা স্যাটায়ার। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ আয়না বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই গ্রন্থে তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি, ভণ্ড পীর-মুরিদি প্রথা এবং সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে থাকা কুসংস্কারকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে আক্রমণ করেছেন। ‘হুজুর কেবলা’, ‘নায়েবে নবী’ বা ‘ধর্মরাজ্য’র মতো গল্পগুলোয় তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে ধর্মের পবিত্র লেবাস পরে একদল মানুষ সাধারণ মানুষকে শোষণ করে।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫-এর জন্য মনোনীত হয়েছিলেন মোহন রায়হানসহ ৯ জন। গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অন্যদের এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হলেও মোহন রায়হানকে দেওয়া হয়নি।

বিতর্কের মুখে কবি মোহন রায়হানকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ প্রদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জহির রায়হান বাংলাদেশের সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। মাত্র ৩৭ বছরের জীবন পেয়েছিলেন।

সরকার ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কালকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

তাঁর হাস্যরসের অন্তরালে আছে ক্ষোভ ও বেদনার অনুভূতি। তাঁর বক্তব্যের মধ্যে যেন অকথিত একটা কিছু থাকে, যা বুঝে নিতে হয়।

প্রতিটি প্রায় একই রকম আয়াতের মধ্যে শব্দের সামান্য অদলবদল, একটা শব্দের আগে-পরে হওয়া বা বাক্যের গঠনে ছোট কোনো পরিবর্তন, যা নিছক কাকতালীয় নয়।

বাংলাদেশের সমসাময়িক শিল্পচর্চায় আজ একদিকে রয়েছে বাস্তবানুগ বা ফটোগ্রাফিক দক্ষতার প্রতি প্রবল আকর্ষণ, অন্যদিকে রয়েছে প্রকৃতি ও বাস্তবতাকে আত্মস্থ করে সেটিকে নতুন নন্দনভাষায় রূপ দেওয়ার প্রবণতা। রাজধানীর গ্যালারি কায়ার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দলগত প্রদর্শনীটি দ্বিতীয় প্রবণতার এক বিস্তৃত ও তাৎপর্যপূর্ণ মানচিত্র হাজির করেছে। প্রদর্শনীতে ৪৫ জন আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পীর ৭৩টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। ১৯৫৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় সাত দশকের শিল্পযাত্রাকে একত্র করেছে এই আয়োজন।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় আবৃত্তি পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।