
ভারতের শেয়ারবাজার থেকে টানা তিন মাস বিনিয়োগ প্রত্যাহার বিদেশিদের
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রুপির অবমূল্যায়নের প্রভাবে ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার অব্যাহত। টানা তিন মাস নিট বিক্রি করেছেন এফপিআইরা।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রুপির অবমূল্যায়নের প্রভাবে ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহার অব্যাহত। টানা তিন মাস নিট বিক্রি করেছেন এফপিআইরা।

গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে তুলে দিয়েছে, যা বিবিএস পরিসংখ্যানে প্রমাণিত। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশে পৌঁছেছে। গ্রামীণ ও শহুরে নিম্নবিত্তদের সুরক্ষায় লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি জরুরি।

সরবরাহ বাড়ানো ও মূল্যবৃদ্ধি ছাড়াও অবৈধ মজুত বন্ধে অভিযান ও ফুয়েল পাস ভূমিকা রেখেছে। অনিশ্চয়তা কমিয়েছে অনির্দিষ্টকাল যুদ্ধবিরতি।

কেউ যাতে পণ্যের অহেতুক মূল্যবৃদ্ধি না করতে পারে, সে জন্য সাংবাদিকদের প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটে দিনাজপুরে বাস চলাচলে ব্যয় বেড়ে গেছে, কমেছে ট্রিপ ও যাত্রী। আয় কমে বিপাকে পড়েছেন পরিবহনশ্রমিকেরা, ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবি উঠেছে।

দেশের অন্যতম মাছ উৎপাদনকারী জেলা ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যায় বিপুল পরিমাণ মাছ। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের কারণে আবারও বাড়ছে মাছ পরিবহনের ট্রাকভাড়া।

মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্যসূচক ৩.৩% বেড়েছে, যা দুই বছরের সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাসোলিনের দাম ২১.২% উঠেছে, যা ১৯৬৭ সালের পর সর্বোচ্চ মাসিক বৃদ্ধি। হরমুজ প্রণালী বন্ধের জেরে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।

সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, যা বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা দরকার। এলপিজি মূল্যবৃদ্ধি আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি খুললেও বৈশ্বিক তেলবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। মজুতের সংকট, সরবরাহে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সিএনজি স্টেশনমালিকেরা কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

জামায়াত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল আয়োজন করে, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে।

পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোক্তা প্রতিনিধিরা বলেছেন, এটি মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াবে।