
১৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে যেসব দৃশ্য দেখা যাবে
১৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে বিরল গ্রহসমাবেশ থেকে শুরু করে রক্তিম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের মতো একাধিক মহাজাগতিক ঘটনা দেখা যাবে।

১৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে বিরল গ্রহসমাবেশ থেকে শুরু করে রক্তিম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের মতো একাধিক মহাজাগতিক ঘটনা দেখা যাবে।

নক্ষত্রটিতে শীতল লাল অতিদানবের বৈশিষ্ট্য হালকা হয়ে আসছে এবং উষ্ণ নক্ষত্রের সংকেত প্রকট হচ্ছে। নক্ষত্রটি সম্ভবত ইয়েলো হাইপারজায়ান্ট পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

গ্রহণ চলাকালীন চাঁদ এক অদ্ভুত লালচে রং ধারণ করবে। ২০২৬ সালের এটিই হবে একমাত্র পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।

আমাদের একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ ধীরে ধীরে সংকুচিত বা ছোট হয়ে যাচ্ছে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের অত্যাধুনিক নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ ব্যবহার করে সৌরজগতের বাইরে থাকা এইচডি ১৮১৩২৭ নক্ষত্রের ধুলিকণাযুক্ত বলয়ে স্ফটিক আকারের বরফের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সন্ধ্যার পর বাংলাদেশের আকাশে বেশ কিছু চমৎকার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনাও দেখা যাবে।

মঙ্গল গ্রহের বিভিন্ন অঞ্চলে হৃৎপিণ্ড আকৃতির একাধিক কাঠামো রয়েছে।

নাসা মনে করে, আবার চাঁদে অভিযান চালানোটা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করবে।

পৃথিবীর জন্মের বহু আগেই মহাকাশে প্রাণের প্রাথমিক উপাদানগুলো তৈরি হতে শুরু করেছিল বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীদের দাবি সত্যি হলে অতিপারমাণবিক কণাটি হবে স্টিফেন হকিংয়ের বিখ্যাত হকিং রেডিয়েশন তত্ত্বের প্রথম প্রত্যক্ষ প্রমাণ।

একটু মনোযোগ দিয়ে তাকালেই রাতের আকাশে বৃহস্পতি, বুধ, নেপচুন, শনি, ইউরেনাস ও শুক্র গ্রহ দেখা যাচ্ছে।

পৃথিবীর কোনো গবেষণাগার বা মাটির গভীরের কোনো জাদুকরি কারখানায় সোনা তৈরি করা সম্ভব নয়। আপনার হাতের ওই আংটির প্রতিটি কণা তাহলে কোথা থেকে এল?