
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির নানা দিক এখনো খতিয়ে দেখছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি সইের দিনক্ষণ নিয়ে গতকাল শনিবার থেকে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি সইের দিনক্ষণ নিয়ে গতকাল শনিবার থেকে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।

রুবিও ও জয়শঙ্কর হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও ভার্চ্যুয়ালি এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বিলুপ্ত করা সম্ভব হবে বলেও আশা মার্কিন কর্মকর্তার

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র এমন বলেছে।

কিন্তু এমন এক মুহূর্তে গতকাল ভোরেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা তেহরানে ৪ জুলাই হবে এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

ট্রাম্পের নীতিতে বিভক্ত ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানরা।

ওয়াশিংটন দুই–এক দিনের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে।