
ছয় আর্জেন্টাইনের মধ্যে রইল বাকি চার
মাঠের লড়াই যত জমে উঠেছে, ডাগআউটের সেই আর্জেন্টাইন চাণক্যদের সংখ্যাটাও তত কমেছে।

মাঠের লড়াই যত জমে উঠেছে, ডাগআউটের সেই আর্জেন্টাইন চাণক্যদের সংখ্যাটাও তত কমেছে।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রাথমিক তালিকায় পাওলো দিবালা নেই, তবে জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি চমকপ্রদ অন্তর্ভুক্ত। লিওনেল মেসির নাম থাকায় ভক্তরা আশান্বিত। নতুন মুখের মধ্যে আছেন নিকোলাস কাপুলদো, জায়েদ রোমেরো ও মাতেও পেলেগ্রিনো।

দুই নামের মাঝখানে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের সমস্ত ইতিহাস, সমস্ত যন্ত্রণা, সমস্ত উৎসব।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়। মৌরিতানিয়া ১১৫তম এবং জাম্বিয়া ৯১তম দল। অর্থাৎ প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার এই দুই প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের শক্তির পার্থক্য আকাশ-পাতাল।

আপাতদৃষ্টিতে আর্জেন্টিনাকে খুঁতহীন মনে হলেও কোচ লিওনেল স্কালোনির কণ্ঠে শেষ ৩২-এর প্রতিপক্ষকে নিয়ে ঝরল চরম সমীহ।

টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল হয়ে গেল মেসির। ফুটবলের ইতিহাসে এর আগে কেউ পারেনি।

লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও রদ্রিগো দি পল খাচ্ছেন ক্যান্ডি। কিন্তু লিওনেল স্কালোনির দলে এই ক্যান্ডি খাওয়াটা কেন ম্যাচের একটা রেওয়াজই হয়ে গেছে?

মেসি সর্বোচ্চ নম্বর পাচ্ছেন, সেটি তো বোঝাই যাচ্ছে। অন্যরা কেমন খেললেন,সেটি দেখে নিতে পারেন রেটিং থেকে।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ও হ্যাটট্রিকের পথে বেশ কয়েকটি রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি।

চ্যাম্পিয়নদের এমন দাপুটে শুরুর পর স্বাভাবিকভাবেই সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা—প্রথম ম্যাচে দলের কোন খেলোয়াড় কেমন পারফর্ম করলেন?

আলবিসেলেস্তের আকাশি নীল-সাদা রঙে ভেসে যাওয়া কানসাস সিটির রাতে মেসি হাঁটলেন—শান্তভাবে, যেভাবে কেবল তিনিই হাঁটতে পারেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের সামনে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি এলোমেলো, ফর্ম নড়বড়ে। স্পেন ও ফ্রান্স অনেক এগিয়ে। মেসির ভূমিকা ও দলের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।