
অনভ্যস্ত শরীরে হঠাৎ ফুটবল খেললে যেসব সমস্যা হতে পারে
বিশ্বকাপের আনন্দে যুক্ত হতে ফুটবল খেলতে নেমে পড়বেন অনেকেই। তবে ফুটবলের মতো কায়িক শ্রমের খেলায় অভ্যস্ত না হলে নেমে পড়া উচিত নয়।

বিশ্বকাপের আনন্দে যুক্ত হতে ফুটবল খেলতে নেমে পড়বেন অনেকেই। তবে ফুটবলের মতো কায়িক শ্রমের খেলায় অভ্যস্ত না হলে নেমে পড়া উচিত নয়।

পরশু প্রথম ওয়ানডেতে সহজ জয়ের পর আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেও জিতে গেলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আনন্দে ভাসবে বাংলাদেশ। কাজেই সুদূর যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো আর কানাডার বিশ্বকাপের সঙ্গে আজ চোখ রাখতে হবে মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের দিকেও।

ঈদের ছুটি শুরুর পর লাখো পর্যটকের পদচারণে মুখর কক্সবাজার। কিন্তু সমুদ্রসৈকতের আনন্দের পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গী হয়েছে দীর্ঘ লোডশেডিং। শহরের কলাতলী সাবস্টেশনের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এ পরিস্থিতিতে অন্তত ৩০ হাজার পর্যটক বুকিং বাতিল করেছেন বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠন।

এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।

সম্প্রতি তাজমহল প্রাঙ্গণে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি বানর ফোয়ারার পানিতে নেমে আনন্দে লাফালাফি করছে।

টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের দীর্ঘ তিন দশক পর নির্বাচনে ‘এ’ ও ‘বি’ শ্রেণিতে ৩০ পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

সাদা বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট সুমাইয়া ইসলাম। বয়স মাত্র ছয় বছর। বড় বড় চোখ করে বাঘটির দিকে তাকিয়ে ছিল সে। হঠাৎ বাবার হাত চেপে ধরে প্রশ্ন করল, ‘বাবা, বাঘটা কি কামড় দেবে?’ মেয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে ফেললেন বাবা মুশফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘ভয় পেয়ো না। বাঘ খাঁচার ভেতরে আছে। কামড় দিতে পারবে না।’

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি ঘিরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা ছুটে এসেছেন চায়ের রাজধানী ও প্রকৃতির লীলাভূমি খ্যাত শ্রীমঙ্গলে।

ঈদের আনন্দের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়কে ঝরেছে অন্তত ১৬ প্রাণ।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল থেকে বাড়ির পথে ছুটছেন হাজারো পোশাকশ্রমিক। ঝোড়ো বৃষ্টি, কাদামাটি, যানজট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তি পেরিয়েও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দে মুখর ঘরমুখী মানুষ।

ঈদের ছুটি বা উৎসবের আমেজ মানেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। আর ভ্রমণ যদি হয় নিজের গাড়িতে, তবে আনন্দের মাত্রা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

কিশোর আলোর সবচেয়ে বড় আনন্দের আয়োজন ‘সেপনিল নিবেদিত কিআ কার্নিভ্যাল ২০২৬’ শুরু হয়েছে।