
৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ৪১ জনই নতুন
৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ৪১ জনই নতুন

৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ৪১ জনই নতুন

গত শতকের আশির দশকে জাতীয় পার্টির সরকারে মন্ত্রী ছিলেন নিতাই রায় চৌধুরী। তিন যুগ পর আবার মন্ত্রী হলেন তিনি। এবার বিএনপির সরকারে, এই দলটির ভাইস চেয়ারম্যানের পদে রয়েছেন এই আইনজীবী।

সবচেয়ে বেশি তিনবার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন বিএনপির সাইফুর রহমান ও আওয়ামী লীগের আবুল মাল আবদুল মুহিত। আবুল মাল আবদুল মুহিত সব মিলিয়ে ১২টি বাজেট দেন, যা রেকর্ড।

তারেক রহমানের সামনে ‘স্টেটসম্যান’ হওয়ার সুযোগ এসেছে। সেটা কি তিনি সরকারপ্রধান হিসেবে হবেন, নাকি দলীয় প্রধান হিসেবে হবেন, নাকি সব ভূমিকা একত্র করে হবেন, সেটাই দেখার বিষয়। যেটাই ঘটুক আর যে ভূমিকাতেই তিনি থাকুন না কেন, পরিকল্পনার ভরকেন্দ্র তাঁর দিকেই ঝুঁকে থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শপথ নিয়েছে।

আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুমের শিকার সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে বিএনপির হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংস্কারের আলাপে দিয়েছিলেন নেতৃত্ব। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব পেলেন তিনি।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন পিরোজপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করায় রাজবাড়ী শহরে আনন্দমিছিল ও পথসভা হয়েছে।

নতুন–পুরোনো মিলিয়ে বড় মন্ত্রিসভা

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের মাধ্যমে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়।

শামা ওবায়েদের বাবা প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমান একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন।

২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ১০ জন উপদেষ্টা। উপদেষ্টারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার।