
বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় কেন ঝুঁকির, কেন সম্ভাবনার
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) তাদের ব্যাপক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) তাদের ব্যাপক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন।

চীনের জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ চাকরি, পড়াশোনা কিংবা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বিদেশে যান। অনেকেই ফিরে এসে প্রায় একই কথা বলেন, সেখানে নেমেই চোখে পড়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা।

অর্থনীতির প্রায় সব সূচক এখন নেতিবাচক ধারায়। এই অবস্থা থেকে বের হতে হলে নতুন সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।

একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলো। ভোটাররা অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা অনেকে অনুভব করলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

নতুন সরকারের জন্য প্রথম ১০০ দিনের প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো, একটা উপযোগী বাজেট তৈরি করা। কারণ, তিন মাস হতে না হতেই আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশের সময় হয়ে যাবে।

নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাই ছিল বিএনপির ইঞ্জিনিয়ারিং। পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও সার্ক নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

জনগণের একটি অংশ বিশ্বাস করে যে বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সক্ষম। এই আস্থার পেছনে রয়েছে অতীত অভিজ্ঞতা।

নির্বাচনের কারণে রাজধানীতে শাকসবজির সরবরাহ কম। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাজারে যাচ্ছেন না ক্রেতারা।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।

বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় বলেছে, নির্বাচনে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার।

জামায়াত তার ইশতেহারে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ২ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত?