
নৌ অবরোধ কী এবং হরমুজ প্রণালিতে এটি কীভাবে কাজ করবে
ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

ইরানি বন্দরগুলোয় সব ধরনের সামুদ্রিক যাতায়াতের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে

জাহাজটির কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি।

ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী বন্ধে পারস্য উপসাগরের তেল-গ্যাস রপ্তানি স্তব্ধ। যুক্তরাষ্ট্র এর সুযোগ নিয়ে রেকর্ড রপ্তানি ও মুনাফা করছে। এল পাইসের প্রতিবেদনে ফ্র্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত।

ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের নিয়ন্ত্রিত যাতায়াত চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে দুই সপ্তাহ ধরে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা চলবে। এতে ইরান অনন্য অর্থনৈতিক-ভূরাজনৈতিক অবস্থান পাবে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর জ্বালানি-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে।

ভীতিকর অবস্থা ছিল, যদি কোনো কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কারণ, ওপরে ড্রোনের ভয়, আর নিচে মাইন কিংবা ছোট সাবমেরিনের ভয়।