
আবার খুন-জখম-গুলি, বেপরোয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা, বেশি ঘটছে ঢাকার কোথায়
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কারামুক্ত হয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির জন্য খুনোখুনি ও গোলাগুলিতে জড়ান।

শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কারামুক্ত হয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির জন্য খুনোখুনি ও গোলাগুলিতে জড়ান।

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থানে ডিএমপি, সার্বক্ষণিক নজরদারি ও অভিযান চলবে।

সিটি কলেজে সংর্ষের পেছনে ছাত্রদলকে দায়ী করলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীর গুলিতে বাংলাদেশি এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে চার সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালিয়ে যায় এবং তাদের ফেলে যাওয়া থলেতে ১ হাজার ৪০০ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। কাউকে আটক না করলেও সন্ত্রাসীদের ঘেরাওয়া থেকে বিজিবি নিরাপদে ফিরে আসে। সীমান্তে চোরাচালান দমনের অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

চট্টগ্রামে ‘বড় সাজ্জাদ’র সহযোগীদের জামিন পাওয়ায় পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একের পর এক খুন-চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত এই আসামিরা কীভাবে পুলিশের নজর এড়িয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করল? এটি কি গোয়েন্দা ব্যর্থতা, নাকি গভীর যোগসাজশ?

সাত সেকেন্ডের অস্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিবি স্বেচ্ছাসেবক নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যার খুনিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করেছে। বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে চার মাসের পরিকল্পনায় হত্যা করা হয়। পাঁচজন গ্রেপ্তার, মধ্যে তিন ভাই।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের হামলায় ১২ বছরের শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। পূর্ববিরোধের জেরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষের লক্ষ্য করে হামলা চালালেও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে, অভিযান চলছে।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাছের ঘেরের পাশে মালিক মঞ্জুর আলমের (৫৫) লাশ পাওয়া গেছে। পরিবার স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হত্যার অভিযোগ করেছে, যদিও পুলিশ শরীরে আঘাতের চিহ্ন না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত করছে। পূর্বে ঘেরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ বলছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ৯ মার্চ এলাকাটিতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য যৌথ অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি। উল্টো অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এবার অভিযানের পর সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়েছে।

চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।