
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: মমতার ক্ষমতা এবার কি টিকবে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ আমরা এমন এক সময় পার করছি, যখন নির্মমতা আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। একজন ৩৫ বা ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক, যাঁর শিশুদের জ্ঞানের আলো দেওয়ার কথা, তিনি সাত-আট বছরের ছাত্রদের বেদম মার মারছেন। এমনভাবে মারছেন যেন শিশুর শরীর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি।

গত সপ্তাহে ইরানি সভ্যতাকে ধুলায় মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথে যাত্রার একটি সম্ভাবনা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত এমন এক পরিসর, যেখানে ধারণার যাচাই হয়, জ্ঞান সৃষ্টি হয় এবং তরুণ প্রজন্ম জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রস্তুতি নেয়। এটি এমন কোনো ক্ষেত্র হতে পারে না, যেখানে ভয়, গোষ্ঠীগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও দলীয় নিয়ন্ত্রণ শিক্ষার পরিবেশকে গ্রাস করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আজও এমন এক অস্বস্তিকর বাস্তবতাই বিদ্যমান।

বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক দেশ বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নদীমাতৃক দেশের নদী ও খালের নেটওয়ার্কই আজ সবচেয়ে বেশি সংকুচিত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগে ‘সার্চ কমিটি’ গঠনের নজির রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করে ‘ক্যু’ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে। লেখায় পাঁচটি সম্ভাব্য কৌশল বিশ্লেষণ করা হয়েছে—যুদ্ধকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার পথ। আমেরিকান জনগণের সতর্কতাই এর বড় বাধা।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াতের প্রতি সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও ভোটের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইরান হরমুজ প্রণালি খোলার ঘোষণা দিয়েছে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে বিজয় বললেও ইরান ‘মহান বিজয়’ দাবি করছে। দুই পক্ষের প্রস্তাবে বড় ফারাক থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

সরকারি ঋণ গ্রহণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। ধ্রুপদি থেকে কেইনসীয় তত্ত্ব পর্যন্ত ঋণের ভূমিকা এবং বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের নতুন ঋণ পরিকল্পনা এবং ঋণ-জিডিপি অনুপাত নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

৩১ দফা ও ইশতেহারে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছে; কিন্তু বাতিল করেছে দুই অধ্যাদেশ।