
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে কাদের হারিয়েছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলায় ৫০ জনের বেশি ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা হামলা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঝুঁকিগুলোকে আমূল বদলে দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ‘চূড়ান্ত’ শান্তিচুক্তির পথে ‘অনেক দূর’ এগিয়েছে।

জ্বালানি বাজার থেকে শুরু করে অভিবাসনপথ, ন্যাটো জোট থেকে জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির উত্থান পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এর ঢেউ ইতিমধ্যেই ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর টেলিফোনে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে।

ট্রাম্প গতকাল সোমবার এক অস্পষ্ট ও সাংঘর্ষিক পূর্বাভাস দিয়েছেন।

ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব দ্রুত’ ইরান থেকে সরে আসবে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরে ‘স্পট হিট’ দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ন্যাটোর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করছেন। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের পর সরকার পরিবর্তন ও চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।

যুদ্ধের বিভিন্ন দিক যাচাই করে যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, এই যুদ্ধে তাদের জেতার সম্ভাবনা খুব কম।

ইরান ভূমি এবং জাহাজ লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম।

ট্রাম্পকে ইরান সংকট সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন পুতিন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু সামরিক নয়, বিশ্বাস ও শহীদির ধারণার ওপর নির্ভরশীল। বাইরের আঘাত কখনো ইরানের শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ এটি তাদের ‘পবিত্র প্রতিরোধ’-এর গল্পকে জাগিয়ে তোলে। এই প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে শিয়া ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধ ইরানকে টিকিয়ে রাখছে।